NOTICE:- ------------------ ----------------- ---------------------------

164. আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, আমাকে প্রথম তিন জান্নাতীকে এবং প্রথম তিন জাহান্নামীকে দেখানো হয়েছে।

আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, আমাকে প্রথম তিন জান্নাতীকে এবং প্রথম তিন জাহান্নামীকে দেখানো হয়েছে।

প্রথম তিন জান্নাতী হলঃ
১) শহীদ। যে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আল্লাহর রাহে জীবন উৎসর্গ করে দিয়েছে।
২)ক্রীতদাস। যে দুনিয়ায় মনিবের দাসত্বের শৃংখলে আবদ্ধ থাকা স্বত্বেও কখনো আল্লাহর ইবাদাত-বন্দেগী থেকে বিরত থাকেনি।
৩) দুর্বল ও দরিদ্র অধিক সন্তান-সন্তুতির পিতা। যে নিজ অবস্থায় সর্বদা আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ ও ধৈর্যশীল রয়েছে।

প্রথম তিন জাহান্নামী হলোঃ
১) অত্যাচারী শাসক।
২)অধিক সম্পদশালী ব্যক্তি, যে যাকাত প্রদান করে না।
৩) অহংকারী দরিদ্র ব্যক্তি, যে দারিদ্র্য ও নিঃস্বতা সত্ত্বেও অহংকার ত্যাগ করে না।

>>তিরিমিযী, মুসনাদে আহমাদ<<

163.কারো ভাল আমল দেখে পুলকিত হতে নেই

@@@ কারো ভাল আমল দেখে পুলকিত হতে নেই @@@

হযরত আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত,
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, শেষ পরিণতি কী হয় তা না দেখে কারো সম্পর্কে তোমাদের পুলকিত কিংবা অবাক হওয়া উচিত নয়। কেননা, (এটা সত্য যে,) কোন আমলকারী তার জীবনের সুদীর্ঘকাল অথবা তার সময়কালের বিরাট অংশ নেক আমল করে কাটিয়ে দেয়। এমতাবস্থায় তার মৃত্যু হলে সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারতো। কিন্তু (পরবর্তীতে) সে উল্টে যায় এবং বদ আমল করতে থাকে। (অবশেষে তার পরিণতি হয় দোযখ),

অপরদিকে (দেখা যায় যে,) আল্লাহর কোন বান্দা তার সময়কালের বিরাট অংশ বদ আমল করলো, যদি ঐ সময়ে তার মৃত্যু হতো, তবে সে দোযখে প্রবেশ করতো। (কিন্তু না) পরে সে প্রত্যাবর্তন করে এবং নেক আমল করতে থাকে এবং যখন আল্লাহ তা’আলা কোন বান্দার জন্য কল্যান চান তখন সেই বান্দাকে মৃত্যুর পূর্বে কল্যানে নিয়োজিত করবেন? সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! কিভাবে তাকে কল্যাণে নিয়োজিত করবেন? উত্তরে তিনি বললেন, তাকে সৎ কর্মের তওফিক দান করবেন। অতঃপর তার মৃত্যু ঘটান।

মুসনাদে আহমেদ অধ্যায়ঃ ৩/ তাকদীর হাদিস নাম্বারঃ ৬ (তিরমিযী, এই হাদীসটিকে সহীহ্ বলেছেন। হাদীসটি আবূ ইয়ালা সাঈদ ইবনুমানসূর, আব্দ ইবনুহুমাইদ প্রমুখও বর্ণনা করেছেন।)

হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী, আমার অন্তর কে তোমার আনুগত্যের দিকে ঘুরিয়ে দাও।
হে দয়াময় আল্লাহ্, আমাকে ক্ষমা করুন।
আমাদেরকে মৃত্যুর পূর্ব পযন্ত সৎ আমল করার তেীফিক দান করুন।

162. জ্ঞানহীন আলেম

@@ জ্ঞানহীন আলেম @@

হযরত আব্দুল্লাহ বিন আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত।

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করেছেন- “নিশ্চয় আল্লাহ তায়ালা তাঁর বান্দাদের কাছ থেকে ইলমকে এক দফায় ছিনিয়ে নিবেন না। বরং আলেমদের ইন্তেকালের মাধ্যমে ইলমের বিলুপ্তি ঘটাবেন। এমনকি যখন কোন আলেম অবশিষ্ট থাকবেনা, তখন লোকেরা মুর্খদেরকে নিজেদেরনেতা বানাবে। সুতরাং তারা ইলম ছাড়া ফাতওয়া দিয়ে নিজেও পথভ্রষ্ট হবে, অন্যদেরও পথভ্রষ্ট করবে”।

সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদিস নং-৪৫৭১,
বুখারী শরীফ, হাদিস নং-১০০,
সহীহ মুসলিম শরীফ, হাদিস নং-৬৯৭১,
মুসনাদুশ শিহাব, হাদিস নং-৫৮১,
আল মু’জামুল আওসাত, হাদীস নং-৫৫,
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদীস নং-৫২,
সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং-২৬৫২,
সুনানে দারেমী, হাদীস নং-২৩৯,
সুনানে নাসায়ী কুবরা, হাদীস নং-৫৯০৭,
মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-৫৬১১,
মুসনাদুল বাজ্জার, হাদীস নং-২৪২২,
মুসনাদে ইবনুল জিদ, হাদীস নং-২৬৭৭,
মুজামে ইবনে আসাকীর, হাদীস নং-১৭

161.রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এর ডাকে খেজুর গাছ ও সাড়া দেয়

@@ রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এর ডাকে খেজুর গাছ ও সাড়া দেয়, আর আমরা? @@

হযরত জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত,

আমি মদীনার এক ইহুদীর কাছ থেকে করয নিতাম। এক বছর আমার বাগানে খেজুরের ফলন খুবই কম হল। যার কারণে ওই ইহুদীর করয আদায় করতে পারছিলাম না।
এভাবে একটি বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেল। বাগানে নতুন ফল এল। তখন সে আমাকে করয আদায় করার জন্য তাগাদা দিল। কিন্তু ঘটনাক্রমে সে বছরও ফসল কম হয়েছিল। আমি পরবর্তী ফসল পর্যন্ত সময় চাইলাম। কিন্তু সে সম্মত হল না। আমি পুরা ঘটনা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট বর্ণনা করলাম।

তখন তিনি কয়েকজন সাহাবীকে নিয়ে সেই ইহুদীর বাড়িতে গেলেন এবং তাকে কয়েকবার বোঝালেন। কিন্তু সে কিছুতেই সম্মত হল না। অবশেষে তিনি জাবির (রাঃ)-এর বাগানের বৃক্ষরাজির মাঝে দাঁড়িয়ে বলতে লাগলেন, খেজুর দিতে শুরু কর এবং দেখতে দেখতেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বরকতে এই পরিমাণ খেজুর বের হল যে, ইহুদীর করয আদায় হয়েও অনেক থেকে গেল।
-সহীহ বুখারী, হাদীস : ২১২৭

160.সালাত আদায়ের গুরুত্ব

★★সালাত আদায়ের গুরুত্ব★★

♣♣মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরান কারিমে ইরশাদ করেন,,,

→ মু'মিনদেরকে বল সালাত কায়েম করতে।[সূরা ইবরাহীম-৩১]

→বিশুদ্ধ চিত্তে তাঁর অভিমুখী হয়ে তাঁকে ভয় কর,সালাত কায়েম কর এবং মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়োনা।[সূরা রুম-৩১]

→দুর্ভোগ সেই সালাত আদায় কারীদের যারা তাদের সালাত সম্বন্ধে উদাসীতন, যারা লোক দেখানোর জন্য উহা করে এবং গৃহস্থালীর প্রয়োজনীয় জিনিস সাহায্যদানে বিরত থাকে।[সূরা মাউন-৪-৭]

♣♣ রাসুল (ﷺ)  হাদিস শরিফে ইরশাদ করেন,,,

→সালাত ইসলামের প্রথম ইবাদত যা মিরাজের রাতে ফরজ করা হয়। [মুসলিম/৩০৮]

→আমাদের ও কাফিরদের মধ্যে পার্থক্যকারী হল সালাত। যে সালাত ছেড়ে দিল সে কুফরী করলো। [মুসলিম/১৫০, ইবৃনমাযাহ/১০৭৯]

→কিয়ামতের দিন মানুষের আমলের মধ্যে সর্বপ্রথম সালাতের হিসাব নেয়া হবে।[নাসাই/৪৬৯, ইবৃনে মাযাহ/১৪২৬]

→আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয় আমল হচ্ছে যথাসময়ে সালাত আদায় করা, মাতা-পিতার সাথে ভাল ব্যবহার করা এবং আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা। [বুখারী-৫০০]

{তাই আসুন আমরা সকলে দৈনিক ৫ ওয়াক্ত সালাত আদায় করি। কারন যে ব্যাক্তি সালাত পরে না সে কাফির অর্থাত্‍ আল্লাহর আবাধ্য এবং আল্লাহর অবধ্যতার পরিনাম খুবই ভয়াবহ}

{আল্লাহ আমাদের সকলকে ক্ষমা করুন}

@[381302795306196:274:আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত - চান্দিনা, কুমিল্লা]★★সালাত আদায়ের গুরুত্ব★★

♣♣মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরান কারিমে ইরশাদ করেন,,,

→ মু'মিনদেরকে বল সালাত কায়েম করতে।[সূরা ইবরাহীম-৩১]

→বিশুদ্ধ চিত্তে তাঁর অভিমুখী হয়ে তাঁকে ভয় কর,সালাত কায়েম কর এবং মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়োনা।[সূরা রুম-৩১]

→দুর্ভোগ সেই সালাত আদায় কারীদের যারা তাদের সালাত সম্বন্ধে উদাসীতন, যারা লোক দেখানোর জন্য উহা করে এবং গৃহস্থালীর প্রয়োজনীয় জিনিস সাহায্যদানে বিরত থাকে।[সূরা মাউন-৪-৭]

♣♣ রাসুল (ﷺ) হাদিস শরিফে ইরশাদ করেন,,,

→সালাত ইসলামের প্রথম ইবাদত যা মিরাজের রাতে ফরজ করা হয়। [মুসলিম/৩০৮]

→আমাদের ও কাফিরদের মধ্যে পার্থক্যকারী হল সালাত। যে সালাত ছেড়ে দিল সে কুফরী করলো। [মুসলিম/১৫০, ইবৃনমাযাহ/১০৭৯]

→কিয়ামতের দিন মানুষের আমলের মধ্যে সর্বপ্রথম সালাতের হিসাব নেয়া হবে।[নাসাই/৪৬৯, ইবৃনে মাযাহ/১৪২৬]

→আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয় আমল হচ্ছে যথাসময়ে সালাত আদায় করা, মাতা-পিতার সাথে ভাল ব্যবহার করা এবং আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা। [বুখারী-৫০০]

{তাই আসুন আমরা সকলে দৈনিক ৫ ওয়াক্ত সালাত আদায় করি। কারন যে ব্যাক্তি সালাত পরে না সে কাফির অর্থাত্‍ আল্লাহর আবাধ্য এবং আল্লাহর অবধ্যতার পরিনাম খুবই ভয়াবহ}

{আল্লাহ আমাদের সকলকে ক্ষমা করুন}