NOTICE:- ------------------ ----------------- ---------------------------

108. না’তে মুস্তাফা – ইমামে আ’যম আবূ হানীফা



এখন ইমামে আ’যম আবূ হানীফা নূ’মান ইবনে সাবিত রাদিয়াল্লাহু তা’য়ালা আন্‌হু কর্তৃক আরবী ভাষায় রচিত এমন একটি হৃদয়গ্রাহী না’তে মুস্তাফার উল্লেখ করছি যাহা কুল উম্মতে মুহাম্মাদীর হৃদয়ের প্রতিটি স্পন্দনের কথা। পৃথিবীর সর্বত্র আরব-আযমে উক্ত না’তটি মিলাদ মাহফিলে অতি ভক্তি সহকারে পঠিত হয়ে থাকে। কোন কোন জায়গায় ইহা লুরী বা কোথায়ও আল্লামা শেখ সাদীর “বালাগাল উলা..........” সাথে মিলিয়ে পঠিত হয়ে থাকে। নিম্নে না’ত শরীফটি দেওয়া হলো-

মূল আরবী উচ্চারণ-

(১)
আস্‌সুবহু বাদা’আ মিন্‌ তাল্‌ আতিহী,
ওয়াল্লাইলু দাজা মিন্‌ ওয়াফ্‌ রাতিহী॥
আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহ্‌

গদ্যানুবাদ

নবীজির আগমনে প্রভাত হয়েছে। নবীজির চেহারার জ্যোতিতে রাঁত অপসারিত হয়েছে।

(২)
ফাকার রুসূলা ফাদ্‌ লান ওয়া আ’লা,
আহদাস্‌ সুবুলা লি দালালতিহী॥
আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহ্‌

গদ্যানুবাদ

সমস্ত নবী-রাসূলগণের উপর নবীজির মর্যাদা ও মহাত্ম বিরাজমান। তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ পথ দর্শনকারী।

(৩)
কানজল কারামী মাওলান নিয়ামী,
হাদিউল্‌ উমামী লি শরিয়াতিহী॥
আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহ্‌

গদ্যানুবাদ

নবীজি সমস্ত দয়ার খনি। তিনি সমস্ত নেয়ামতের মালিক। বিশ্বের সকল জাতীকে তাঁর শরীয়তের দিকে পথ প্রদর্শক।

(৪)
আয়কান নাস্‌রী আ’লাল হাসাবী,
কুলস্নুল আরাবী ফি খিদমাতিহী॥
আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহ্‌

গদ্যানুবাদ

বংশ মর্যাদার দিক থেকে নবীজি পুতঃ ও সর্বশ্রেষ্ঠ। সমস্ত আরব জগত তাঁর সেবায় নিয়োজিত।

(৫)
জা’আ সাজারু নাতাক্বাল হাজারু,
সাক্কাল্‌ কামারু বি ইশারাতিহী॥
আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহ্‌

গদ্যানুবাদ

বৃক্ষ এসে গেলো নবীজির কাছে। নির্বাক পাথর তাঁর সাথে কথা বলেছে। তাঁর আঙ্গুলের ইশারায় চাঁদ দু’টুকরা হয়েছে।

(৬)
জিব্রীল আ’তা লাইলাতা আস্‌রা,
ওয়ার রাব্বু দা’আ ফি হাজ্‌রাতিহী॥
আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহ্‌

গদ্যানুবাদ

জিব্রিল আমীন আলাইহিস সালাম মেরাজ রজনীতে নবীজির কাছে আগমন করেছেন এবং রব তা’য়ালা তাঁর সান্নিধ্যে যাওয়ার জন্যে আহ্বান করলেন।

(৭)
ফা মুহাম্মাদুনা হুয়া সাইয়্যিদুনা,
ফাল্‌ ইজ্জুলানা লি ইজাবাতিহী॥
আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহ্‌

গদ্যানুবাদ

আমাদের দুজাহানের শিরোমনি। তাঁর দ্বীনের দাওয়াত গ্রহণে আমরা সম্মানিত হয়েছি।

(৮)
না লাশ শারাকা ওয়াল্লাহু আকা,
আম্মান ছালাফা মিন্‌ উম্মাতিহী॥
আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহ্‌

গদ্যানুবাদ

নবীজির নালাঈন শরীফ আল্লাহর নিকট সম্মানিত হয়েছে। এবং মহান আল্লাহ্‌ ইহাকে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখেছেন।

কাব্যানুবাদ

(১)
তব রূপের কিরণ দানে প্রভাত রশ্মি
তব চুলের দ্যুতি কাটেঁ আঁধার নিশী।

(২)
সব রাসূলের অধিপতি, শ্রেষ্ঠ আসনে বসি
তাঁরে হেরিয়া দিশা পেল পথহারা প্রবাসী।

(৩)
সব দয়ার খনি, করুণার সঞ্জীবনী
আনলে টানি, মুক্তির পথে জগৎ বাসি।

(৪)
তাঁর বংশ মর্যাদায়, তিঁনি সর্বোচ্চ উচ্চতায়
তাঁর চরণ সেবায়, পূর্ণ আরব হয়েছে দাসী।

(৫)
বৃক্ষ ছাড়ে মাটির বুক, জড় পাথরও খুলে মুখ
আর আঙ্গুল আজ্ঞায় বিভক্ত রাতের শশী।

(৬)
করে জিব্রিল আগমন, দিতে রবের নিমন্ত্রণ
সপ্ত আকাশ করে ভ্রমণ, এক নিমিষে ভাসি।

(৭)
সে দু’জগৎ শিরোমনি, দিয়েছেন দ্বিনের আহ্বানী
তাঁর করুণার আচ্ছাদনি, করেছে মোদের বিশ্বাসী।

(৮)
তাঁর পাদুকার পরশ, ছুয়ে রবের আরশ
পেল খোদার পরম খুশি।

---মাহ্‌দী আল গালিব

107. "ক্বছীদায়ে নু'মান" (৩৬-৪০ পংক্তি)



ইমামে আযম, ইমাম আবু হানীফা রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার বিখ্যাত কিতাব "ক্বাছীদায়ে নু'মান" যেখানে ৫৩ টি পংক্তি রয়েছে । প্রতিটি পংক্তিতে রয়েছে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বেমেছাল শান মান, ছানা সিফত।
সুবহানাল্লাহ্ !!

পূর্ববর্তী পোস্টের পর--->>

فقد فقت ياطه جميع الانبياء
طرا فسحان الذي اسراك

অর্থ: ইয়া ত্বোয়াহা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ! আপনার স্থান সকল নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের সকলের উর্ধে। সকল প্রসংসা সেই আল্লাহ পাক উনার যিনি রাতের কিছু সময় আপনাকে নিজের কাছে সফর করিয়েছিলেন।

والله يا يسين مثلك لم يكن
في العالمين و حق من انباك

অর্থ: ইয়া ইয়াসীন ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ! আল্লাহ পাক উনার কসম , সমগ্র সৃষ্টিকুলে আপনার মত কোন মেছাল নাই।

عن وصفك الشعراء يامدثر
عجزوا وكلوا من صفات علاك

অর্থ: ইয়া মুদ্দাসির ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ! আপনার সুমহান শান মুবারক কবিগন বর্ননা করতে অক্ষম। আপনার মর্যাদা তুলে ধরতে তার অপারগ।

انجيل عيسي قد اتي بك مخبرا
ولنا الكتاب اتي بمدح حلاك

অর্থ: হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম পবিত্র ইঞ্জিল শরীফে আপনার সুসংবাদ দিয়েছেন। কুরআন শরীফেও আপনার প্রশংসা বিদ্যমান।

ماذا يقول الماد حون وما حسي
ان تجمع الكتاب من معناك

অর্থ: প্রশংসাকারীগন আপনার কি প্রসংসা করবে? লেখকগনই বা আপনার ছানা সিফত কতটুকু লিখতে পারবে ?"

সুবহানাল্লাহ্ ! সুবহানাল্লাহ্ !!

দেখুন কি অপূর্ব ক্বাছীদা শরীফ। হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে কতটুকু নিসবত থাকলে এমন ক্বাছীদা শরীফ লিখা সম্ভব চিন্তা করুন।
সুবহানাল্লাহ্ !

আর প্রতিটা পংক্তিতে আছে আক্বীদার বিষয়। বাতিল ফির্কা বলে হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে "ইয়া নবী" "ইয়া রসূল" ইত্যাদি বলে ডাকা যাবে না।
নাউযুবিল্লাহ !
অথচ দেখুন হযরত ইমাম আবু হানীফা রহমাতুল্লাহি আলাইহি ইয়া ত্বোহা !! ইয়া ইয়াসীন !!ইয়া মুদ্দাসির ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলে সম্মোধন করেছেন।
সুবহানাল্লাহ্ !!
শুধুতাই নয়, বাতিল ফির্কারা বলে নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদের মত মানুষ ।
নাউযুবিল্লাহ !
অথচ ইমামে আযম রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলতেছেন, সৃষ্টি জগতে আপনার মত কেউ নাই।
সুবহানাল্লাহ !!

অনেক কিছু শিখার আছে এই ক্বাছীদা শরীফে।

নূর নবী শানে সাহাবীর অপূর্ব সুন্দর গজল


  হযরত খুরাইম ইবনে আউস ইবনে হারেসা ইবনে লাম রদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লামের দরবারে উপস্থিত ছিলাম । তখন হযরত আব্বাস ইবনে আবদিল মুত্তালেব রদিয়াল্লাহু আনহু এসে তাঁকে বললেন যে, হে আল্লাহর রসূল ! আমি আপনার প্রশংসায় গজল পড়তে চাই । হযরত নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম ফরমালেন, নিন ! আমাকে শোনান ! আল্লাহ তাআলা আপনার দাঁত ঠিক নিরাপদ রাখুন ! (যাতে ভাল গজল পড়তে পারেন) । তখন হযরত আব্বাস রদিয়াল্লাহ গজল পড়তে শুরু করলেন:
আপনার জন্ম যবে হলো দুনিয়ায়
নূরানী আলোর আভা চৌদিকে ছড়ায় ।
সুপথের দিশা পাই তারই ছটায়
আপনার অবদান পেয়েছে সবাই ।
[১. তাবরানী, আল-মুজাম আল-কবীর, ৪খন্ড:২১৩ পৃঃ, হাদিসঃ ৪১৬৭ ।
২. হাকেম, আল-মুস্তাদরক, ৩:৩৬৯, হাদিস: ৫৪১৭ ।
৩. আবু নঈম, হুরয়াতুল আউলিয়া, ১:৩৬৪ ।
৪. আয-যাহাবী, সিয়রু আ'লামি নাবালা, ২:২০১ ।
৫. ইবনুল জওযী, সিফাতুল সিফওয়া, ১:৫১ ।
৬. ইবনে আবদিল বির, আল-ইসতি আব, ২:৪৪৭, হাদিসঃ ৬৬৪ ।
৭. আল-আসকলানী, আল-ইসাবা, ২:২৭৪, হাদিস: ২২৪ ।
৮. আল-হায়সমী, মাজমাউয যাওয়ায়িদ, ৮:২১৭ ।
৯. আল-খাতাবী, ইসলাহু গালাতিল মুহদ্দিসীন, ১:১০১, হাদিস: ৫৭ ।
১০. ইবনে কুদামা, আল-মুগনী, ১০:১৭৬ ।
১১. ইবনে কাসীর, আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া (আস-সিরাহ), ২:২৫৮ ।
১২. আস-সুয়ূতী, আল-খাসায়িস আল কুবরা, ১:৬৬ ।
১৩. আল-কুরতুবী, আল-জামি লি-আহকামিল কুরআন, ৩:১৪৬ ।
১৪. আল-হালবী, আস-সিরাহ, ১:৯২ ।]

Like · · · 162416 · 6 hours ago ·

105. দাঁড়ি এখন আর শুধু হিপস্টার আর ভবঘুরেদের ফ্যাশন নয়। যেকোনো ভদ্রলোকই এখন দাঁড়ির মাধ্যমে নিজেকে আবেদনময়ী, স্বাস্থ্যবান ও সুদর্শন করতে পারেন।

12 Feb, 2014:https://www.facebook.com/MuslimOnlineNews
শিরোনাম দেখে ভাবছেন! হ্যাঁ, একটি বিজ্ঞান সাময়িকী এই তথ্যই দিয়েছে। দাঁড়ি এখন আর শুধু হিপস্টার আর ভবঘুরেদের ফ্যাশন নয়। যেকোনো ভদ্রলোকই এখন দাঁড়ির মাধ্যমে নিজেকে আবেদনময়ী, স্বাস্থ্যবান ও সুদর্শন করতে পারেন।

গবেষকরা আবিষ্কার করেছেন, দাঁড়ি ও গোঁফ রাখলে একজন পুরুষ অনেক স্বাস্থ্যগত সুবিধা পেয়ে থাকেন।

ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন কুইন্সল্যান্ডের এক দল গবেষকের এই গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে ‘রেডিয়েশান প্রোটেকশান ডোজিমেট্রি জার্নালে’।

গবেষণায় দেখা যায়, দাঁড়ি সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনী রশ্মি ঠেকায় ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত। এটা দ্রুত বুড়িয়ে যাওয়া থেকে পুরুষকে বাঁচায় এবং স্কিন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

আপনার অ্যাজমা আছে? ভয় কি! আপনার দাঁড়িতে আটকে যাবে ধুলো আর ক্ষতিকর বস্তু, যা আপনার সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারতো। তাছাড়া এটা ঠান্ডা বাতাস ঠেকিয়ে আপনার চামড়ার আদ্রতা বজায় রাখে। নিয়মিত শেভ করলে আপনার দাঁড়ির মূলে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ঘটায় এবং ব্রনের সৃষ্টি করে।

হা ভদ্র মহোদয়! আপনার রেজর কি ডাস্টবিনে ফেলে দিচ্ছেন? এই গবেষণাটি পরিচালনা করার জন্য এই গবেষক দলটি দাঁড়িওয়ালা এবং শেভ করা বিভিন্ন গ্রুপের পুরুষকে পর্যবেক্ষণ করেন।

অস্ট্রেলিয়ার এই গবেষক দলটি ওই পুরুষদের দিনের বেলায় উত্তপ্ত সূর্যের নিচে দাঁড় করিয়ে রাখেন একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত এবং কে কতটুকু রেডিয়েশান শোষণ করেছে এটা তুলনা করে দেখেন। তখনই দাঁড়ির এই উপকারের দিকটি ধরা পড়ে।

কিন্তু এটা ভুলে গেলেও চলবে না অপরিষ্কার দাঁড়ি বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ ঘটাতে পারে। আবার কিছু সুস্বাদু খাবার খেতেও যে বিড়ম্বনার সৃষ্টি করে! পনির, দধি আর স্যান্ডউইচ খাওয়া যে একটু কষ্টকর ব্যাপার এটা বলার অপেক্ষা রাখে না।

তবে যারা এসব তরল খাবারগুলোর ভক্ত নন তারা নির্দ্বিধায় দাঁড়ি রাখতে পারেন বৈকি। দাঁড়ি কি শুধু আর ফ্যাশন আছে! এর উপকারিতা তো গবেষণায় প্রমাণিত!
উৎসঃ   আরটিএনএন
*** শিরোনাম দেখে ভাবছেন! হ্যাঁ, একটি বিজ্ঞান সাময়িকী এই তথ্যই দিয়েছে। দাঁড়ি এখন আর শুধু হিপস্টার আর ভবঘুরেদের ফ্যাশন নয়। যেকোনো ভদ্রলোকই এখন দাঁড়ির মাধ্যমে নিজেকে আবেদনময়ী, স্বাস্থ্যবান ও সুদর্শন করতে পারেন।

গবেষকরা আবিষ্কার করেছেন, দাঁড়ি ও গোঁফ রাখলে একজন পুরুষ অনেক স্বাস্থ্যগত সুবিধা পেয়ে থাকেন।

ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন কুইন্সল্যান্ডের এক দল গবেষকের এই গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে ‘রেডিয়েশান প্রোটেকশান ডোজিমেট্রি জার্নালে’।

গবেষণায় দেখা যায়, দাঁড়ি সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনী রশ্মি ঠেকায় ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত। এটা দ্রুত বুড়িয়ে যাওয়া থেকে পুরুষকে বাঁচায় এবং স্কিন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

আপনার অ্যাজমা আছে? ভয় কি! আপনার দাঁড়িতে আটকে যাবে ধুলো আর ক্ষতিকর বস্তু, যা আপনার সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারতো। তাছাড়া এটা ঠান্ডা বাতাস ঠেকিয়ে আপনার চামড়ার আদ্রতা বজায় রাখে। নিয়মিত শেভ করলে আপনার দাঁড়ির মূলে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ঘটায় এবং ব্রনের সৃষ্টি করে।

হা ভদ্র মহোদয়! আপনার রেজর কি ডাস্টবিনে ফেলে দিচ্ছেন? এই গবেষণাটি পরিচালনা করার জন্য এই গবেষক দলটি দাঁড়িওয়ালা এবং শেভ করা বিভিন্ন গ্রুপের পুরুষকে পর্যবেক্ষণ করেন।

অস্ট্রেলিয়ার এই গবেষক দলটি ওই পুরুষদের দিনের বেলায় উত্তপ্ত সূর্যের নিচে দাঁড় করিয়ে রাখেন একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত এবং কে কতটুকু রেডিয়েশান শোষণ করেছে এটা তুলনা করে দেখেন। তখনই দাঁড়ির এই উপকারের দিকটি ধরা পড়ে।

কিন্তু এটা ভুলে গেলেও চলবে না অপরিষ্কার দাঁড়ি বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ ঘটাতে পারে। আবার কিছু সুস্বাদু খাবার খেতেও যে বিড়ম্বনার সৃষ্টি করে! পনির, দধি আর স্যান্ডউইচ খাওয়া যে একটু কষ্টকর ব্যাপার এটা বলার অপেক্ষা রাখে না।

তবে যারা এসব তরল খাবারগুলোর ভক্ত নন তারা নির্দ্বিধায় দাঁড়ি রাখতে পারেন বৈকি। দাঁড়ি কি শুধু আর ফ্যাশন আছে! এর উপকারিতা তো গবেষণায় প্রমাণিত!
 

উৎসঃ আরটিএনএন

104. হযরত শেখ সৈয়দ আবদুল কাদের জীলানী (রঃ) :

হযরত শেখ সৈয়দ আবদুল কাদের জীলানী (রঃ) :
মদীনায় হিজরতের প্রায় চারশত
বৎসর পর বাগদাদ নগরী ধর্মীয় মতানৈক্যের
কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। এহেন
ক্রান্তিলগ্নে উচ্চ বেলায়ত ক্ষমতাসম্পন্ন
একজন মহাপুরুষের আগমন অপরিহার্য হয়ে পড়ে।
ফলে খোদার ইচ্ছায় হযরত শেখ সৈয়দ আবদুল
কাদের জীলানী (রঃ) বেলায়তে মোহাম্মদীর
শক্তি নিয়ে ৪৭১ হিজরী সনে স্বভাবসিদ্ধ
গাউছুল আজম রূপে ধরাধামে আবির্ভুত হন।
হযরত বড় পীর (রঃ) দৃঢ় কন্ঠে ঘোষণা করলেন-
“আমি জিলান শহরের অধিবাসী। আমার
উপাধি মহীউদ্দিন বা ধর্মের জীবনদাতা। আমার
ধর্মের প্রতীক মানব বুদ্ধিরূপ সমতল ভূমির
উর্ধ্বে পাহাড়ের চূড়ায় প্রতিষ্ঠিত। আবদুল
কাদের আমার নাম। আমার পিতামহ পূর্ণ
মানবতা প্রাপ্ত খোদায়ী জ্ঞান-দৃষ্টি সম্পন্ন।
বাহ্যিক ও আধ্যাত্মিক, এলকায়ী ও
এলহামী জ্ঞান লাভের
ফলে আমি কুতুবে এরশাদী পদ লাভ করেছি।
আমি সর্বময় কর্তা থেকে শুভ দৃষ্টি লাভে সমর্থ
হয়েছি”।
তাঁর ইসলামী সুফী সাধনাপন্থি, শান্তিময়,
সংগ্রামবিমূখ, অস্ত্র পরিহারকারী, ধর্মনিষ্ঠ,
ধৈর্যশীল, নৈতিক ও আধ্যাত্মিক বলে বলীয়ান
শুভ দৃষ্টির আকর্ষণে ভিন্ন
ধর্মাবলম্বী লোকজন ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত
হতে থাকে। এহেন শুভক্ষণে তিনি বলে উঠলেন,
“দ্বীনে মোহাম্মদীর সমস্ত ওলীগণ আমার
পদাঙ্ক অনুসারী। আমি পূর্ণচন্দ্র মহানবীর
পদাঙ্ক অনুসারী”। আধ্যাত্মিকতার
অনুসারী ওলীগণ বেলায়তে ওজমার
অধিকারী হযরত গাউছুল আজম (রঃ)-এর মতবাদ,
এলহাম ও এলাকা এর অনুসারী ও অনুগামী।
তিনি নবুয়তী বিধান ধর্ম ও বেলায়তী শক্তির
আধার বিধায় পূর্ণ নবীর অনূসরণ
ক্ষমতাসম্পন্ন। বাতেল ফেরকার
অনুসারী জালেমদের
অত্যাচারে ইতিপূর্বে দেশত্যাগী বুজুর্গানে দ্বীনের
বদৌলতে বিভিন্ন দেশে এ
বেলায়তী আলো উজ্জ্বল ও প্রস্ফুটিত
হয়ে বিকাশ লাভ করে এবং খোদার একত্ববাদ
বা তৌহিদী ঢঙ্কা প্রচার হতে থাকে। হযরত
বড় পীর (রঃ) বলেন,
“আমার ঢঙ্কা আসামন-জমিনে বেজে উঠছে।
শুভ্র অদৃষ্টের প্রভাতী ঊষা আমার জন্য ইদিত।
অতীত রহস্য আমার নিকট ব্যক্ত হয়ে পড়েছে।
সম্মান প্রতীকসহ আমার প্রার্থীত বস্তু
আমি পেয়েছি। গাউছে আজমীয়তের কারুকার্য
খচিত বেলায়তী তাজ আমায় পরানো হয়েছে।
সুতরাং সমস্ত কুতুবগণই বন্ধু-ভাবাপন্ন।
তোমরা আমার অবস্থার দিকে দৃষ্টি নিক্ষেপ
কর। তোমরা আমরই পুরুষ বা পৌরুষ।
আমি তোমেদর জন্য খোদায়ী প্রেম মদীরায়
বিভোর। খোদায়ী প্রেমিকদের মধ্যে আমার
স্থান”।
একই সময় সুলতানুল হিন্দ গরীবে নেওয়াজ
খাজা মঈনুদ্দীন চিশতী সঞ্জরী (রঃ) বিল
বেরাছত আজমীয়তের শান নিয়ে ভারত
বর্ষে হেদায়ত কার্য পরিচালনা করেন।

#Ahmedহযরত শেখ সৈয়দ আবদুল কাদের জীলানী (রঃ) :
মদীনায় হিজরতের প্রায় চারশত
বৎসর পর বাগদাদ নগরী ধর্মীয় মতানৈক্যের
কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। এহেন
ক্রান্তিলগ্নে উচ্চ বেলায়ত ক্ষমতাসম্পন্ন
একজন মহাপুরুষের আগমন অপরিহার্য হয়ে পড়ে।
ফলে খোদার ইচ্ছায় হযরত শেখ সৈয়দ আবদুল
কাদের জীলানী (রঃ) বেলায়তে মোহাম্মদীর
শক্তি নিয়ে ৪৭১ হিজরী সনে স্বভাবসিদ্ধ
গাউছুল আজম রূপে ধরাধামে আবির্ভুত হন।
হযরত বড় পীর (রঃ) দৃঢ় কন্ঠে ঘোষণা করলেন-
“আমি জিলান শহরের অধিবাসী। আমার
উপাধি মহীউদ্দিন বা ধর্মের জীবনদাতা। আমার
ধর্মের প্রতীক মানব বুদ্ধিরূপ সমতল ভূমির
উর্ধ্বে পাহাড়ের চূড়ায় প্রতিষ্ঠিত। আবদুল
কাদের আমার নাম। আমার পিতামহ পূর্ণ
মানবতা প্রাপ্ত খোদায়ী জ্ঞান-দৃষ্টি সম্পন্ন।
বাহ্যিক ও আধ্যাত্মিক, এলকায়ী ও
এলহামী জ্ঞান লাভের
ফলে আমি কুতুবে এরশাদী পদ লাভ করেছি।
আমি সর্বময় কর্তা থেকে শুভ দৃষ্টি লাভে সমর্থ
হয়েছি”।
তাঁর ইসলামী সুফী সাধনাপন্থি, শান্তিময়,
সংগ্রামবিমূখ, অস্ত্র পরিহারকারী, ধর্মনিষ্ঠ,
ধৈর্যশীল, নৈতিক ও আধ্যাত্মিক বলে বলীয়ান
শুভ দৃষ্টির আকর্ষণে ভিন্ন
ধর্মাবলম্বী লোকজন ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত
হতে থাকে। এহেন শুভক্ষণে তিনি বলে উঠলেন,
“দ্বীনে মোহাম্মদীর সমস্ত ওলীগণ আমার
পদাঙ্ক অনুসারী। আমি পূর্ণচন্দ্র মহানবীর
পদাঙ্ক অনুসারী”। আধ্যাত্মিকতার
অনুসারী ওলীগণ বেলায়তে ওজমার
অধিকারী হযরত গাউছুল আজম (রঃ)-এর মতবাদ,
এলহাম ও এলাকা এর অনুসারী ও অনুগামী।
তিনি নবুয়তী বিধান ধর্ম ও বেলায়তী শক্তির
আধার বিধায় পূর্ণ নবীর অনূসরণ
ক্ষমতাসম্পন্ন। বাতেল ফেরকার
অনুসারী জালেমদের
অত্যাচারে ইতিপূর্বে দেশত্যাগী বুজুর্গানে দ্বীনের
বদৌলতে বিভিন্ন দেশে এ
বেলায়তী আলো উজ্জ্বল ও প্রস্ফুটিত
হয়ে বিকাশ লাভ করে এবং খোদার একত্ববাদ
বা তৌহিদী ঢঙ্কা প্রচার হতে থাকে। হযরত
বড় পীর (রঃ) বলেন,
“আমার ঢঙ্কা আসামন-জমিনে বেজে উঠছে।
শুভ্র অদৃষ্টের প্রভাতী ঊষা আমার জন্য ইদিত।
অতীত রহস্য আমার নিকট ব্যক্ত হয়ে পড়েছে।
সম্মান প্রতীকসহ আমার প্রার্থীত বস্তু
আমি পেয়েছি। গাউছে আজমীয়তের কারুকার্য
খচিত বেলায়তী তাজ আমায় পরানো হয়েছে।
সুতরাং সমস্ত কুতুবগণই বন্ধু-ভাবাপন্ন।
তোমরা আমার অবস্থার দিকে দৃষ্টি নিক্ষেপ
কর। তোমরা আমরই পুরুষ বা পৌরুষ।
আমি তোমেদর জন্য খোদায়ী প্রেম মদীরায়
বিভোর। খোদায়ী প্রেমিকদের মধ্যে আমার
স্থান”।
একই সময় সুলতানুল হিন্দ গরীবে নেওয়াজ
খাজা মঈনুদ্দীন চিশতী সঞ্জরী (রঃ) বিল
বেরাছত আজমীয়তের শান নিয়ে ভারত
বর্ষে হেদায়ত কার্য পরিচালনা করেন।